March 31, 2020

নতুন প্রযুক্তির বিশ্বে ২০১৯ সাল

রায়হান আহমেদ তপাদার : বিদায়ী বছরটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছলেও শেষ পর্যন্ত তা সংঘাতের দিকে মোড় নেয়নি। ১২ মে ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আক্রান্ত হয়। ২০ জুন মর্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে অনতিবিলম্বে সেটি প্রত্যাহার করে নেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ১৩ জুন তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির সঙ্গে দেখা করে তার কাছে ট্রাম্পের একটি চিঠি পৌঁছে দেন। চিঠিতে ট্রাম্প সংলাপে বসার আগ্রহের কথা জানান। খামেনিই আবের মাধ্যমে দেয়া ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। একই দিনে ওমান উপসাগরে আরও দুটি তেল ট্যাঙ্কার আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে একটি জাপানী ট্যাঙ্কার ছিল। এ ঘটনার জন্য ট্রাম্প আবারও ইরানকে দায়ী করেন। ১৯ জুলাই জিব্রাল্টার থেকে ব্রিটিশ তেল ট্যাঙ্কার স্টেনা ইমপেরা আটক করে ইরান। দু মাস পর ট্যাঙ্কার ছেড়ে দেয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন গত বছর এপ্রিল ও জুনে দুটি বৈঠকের পর এ বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি আবার মুখোমুখি হন। বৈঠকটি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। ভিয়েতনামের হ্যানয়ের পাঁচ তারকা হোটেল ‘মেট্রোপোলে’ বৈঠকটি হয়। এর আগে ট্রাম্প এই সম্মেলন থেকে বড় ধরনের কিছু প্রত্যাশা না করার কথা ব্যক্ত করে বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির ব্যাপারে তার ‘কোন তাড়া নেই। এর সুফল পেতে সময় লাগবে। এরপর বছরজুড়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। এছাড়া ভারত সরকার ৫ আগস্ট কাশ্মীরকে স্বায়ত্তশাসন প্রদানকারী সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করে। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীর ৭০ বছর ধরে যে বিশেষ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে আসছিল তার অবসান ঘটে।

সম্ভাব্য প্রতিবাদ এড়াতে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ লোককে আটক করা হয়। নেট ও টেলিযোগযোগ বন্ধ করে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয় পুরো উপত্যকাকে। কাশ্মীর ইস্যুতে এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো পাক-ভারত সম্পর্কে অবনতি ঘটে। পরিস্থিতি প্রায় যুদ্ধের কাছাকাছি চলে গেলেও শেষ পর্যন্ত দুইপক্ষই সংযত হয়। এমনকি দেশে দেশে বিক্ষোভ ছিল বছরের উল্লেখযোগ্য আলোচিত ঘটনা। বিদায়ী বছরটিকে আরও যেসব কারণে মানুষ মনে রাখবে তার মধ্যে ট্রাম্পকে ইমপিচ করা, ক্রাইস্টচার্চে হামলা, আরামকো তেলক্ষেত্রে হামলা, অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ, অসমের নাগরিক পঞ্জি ও ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, উপসাগরে ইরানের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর উত্তেজনা। আরেক উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে হংকং বিক্ষোভ ছিল ২০১৯ সালের সবচেয়ে দীর্ঘ আলোচিত ঘটনা। বিক্ষোভের মূলে ছিল জুনে গৃহীত প্রত্যর্পণ বিল। বিলটি শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নেয়া হলেও গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন থামেনি। ২৪ নবেম্বর অনুষ্ঠিত ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল নির্বাচনে গণতন্ত্রপন্থী আশাতীত ভাল ফল করলেও হংকংয়ের শীর্ষ নির্বাহী ক্যারি লাম তাদের দাবির প্রতি নমনীয় হননি। ৬ জুন ১০ লাখের বেশি মানুষ প্রতিবাদ মিছিল করে। স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটিতে ৩০ বছরের মধ্যে এত বিশাল মিছিল আর হয়নি। এরপর সপ্তাহান্তে চলতে থাকে বিক্ষোভ। সবকিছু মিলে পরিস্থিতি ২০১৪ সালের আমব্রেলা মুভমেন্টের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এককালের ব্রিটিশ উপনিবেশ হংকং ১৯৯৭ সালের ৩০ জুন চীনের কাছে ফিরিয়ে দেয় হয়। চীনের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হলেও হংকং ‘একদেশ দুই ব্যবস্থা’র আওতায় এতদিন বিশেষ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে এসেছে।

অন্যদিকে আরেকটি দিন ছিল শুক্রবার ১৫ মার্চ। শান্তিকামী দেশ হিসেবে পরিচিত নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরে যেন রক্তের বন্যা বইয়ে যায়। জুমার নামাজের সময় আল নূর মসজিদ এবং ক্রাইস্টচার্চে লিনউড ইসলামিক সেন্টারে ঘটে গণগুলিবর্ষণের ঘটনা। এতে প্রায় ৫০ জন নিহত হন ও কমপক্ষে ৫০ জনের মতো গুরুতরভাবে আহত হয়। অভিযুক্ত অপরাধী, অস্ট্রেলিয়ান ব্রেন্টন ট্যারেন্টকে গ্রেফতার এবং তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। টেস্ট ম্যাচ উপলক্ষে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম ওই সময় সেখানে অবস্থান করলেও অল্পের জন্য তারা প্রাণে রক্ষা পান। এক সপ্তাহ পর আল নূর মসজিদের কাছে হ্যাগলি পার্কে জুমার নামাজের আগে সমবেত হন হাজারো মানুষ। সমাবেশে অন্যদের সঙ্গে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও রেডিওতে জোহরের আজান প্রচারের পর দেশজুড়ে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এমনকি ২০১৯ সালে ভারতে লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। ৭ পর্বের নির্বাচন ১১ এপ্রিল শুরু হয়ে ১৯ মে শেষ হয়। ২৩ মে ফল ঘোষণা করা হয়। ৫৪৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি পায় ৩৫০টি আসন, আগের নির্বাচনে তারা পেয়েছিল ৩৩৬টি আসন। নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি ও উন্নয়নকে একত্রিত করে যে রাজনীতির জন্ম দেন কোন কোন বিশ্লেষকের ভাষায় যা মোদিনোমিক্স হিসেবে পরিচিতি পায়, তাতে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস স্থাপন করে। ভারতের মানুষ চেয়েছে উন্নয়ন। ভারতের মানুষ নরেন্দ্র মোদির ওপর আবারও আস্থা রাখে। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ১৪ ফেব্রুয়ারি জঙ্গী হামলায় ৪০ জনের বেশি ভারতীয় নিহত হয়।

এর ১২ দিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে পাকিস্তানের বালাকোটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বোমাবর্ষণ করে মানুষের হতাহত হওয়ার দাবি করে। অভিযানের উল্লেখযোগ্য দিক ভারতীয় বিমানবাহিনীর এক পাইলথাক অভিনন্দন বর্তমান পাকিস্তানে গিয়ে ধরা পড়েন। তাকে ৬০ ঘণ্টার জন্য আটক থাকতে হয়। শেষমেশ শান্তি রক্ষার্থে তাকে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ১ মার্চ ওয়াঘা সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ফেরেন উইং কমান্ডার বর্তমান। ১৫ আগস্ট ভারতের জাতীয় দিবসে তাকে বীরচক্র সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। রাতারাতি অভিনন্দন বর্তমানকে ঘিরে উন্মাদনা তৈরি হয়। অভিনন্দনের গোঁফের স্টাইল রাতারাতি ‘ফ্যাশন ইন’ হয়ে যায়। পাশাপাশি ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট অভিনন্দন বর্তমানের ছবি ব্যবহার করে পাকিস্তানের এক চাওয়ালার চা বিক্রির খবরও সামনে আসে। সিন্ধুর টিপ সিংহল দ্বীপ কাঞ্চনময় দেশ খ্যাত শ্রীলঙ্কায়ও জঙ্গী হামলায় কেঁপে উঠেছিল। ২০১৯ সালের ২৩ মার্চ সিরিয়ার বাগুজে জঙ্গী গ্রুপ ইসলামিক স্টেট বা আইএসের সর্বশেষ ঘাঁটির পতন হয়। আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)। তারা এদিন পূর্ব সিরিয়ায় আইএসের শেষ ঘাঁটি বাগুজ দখল করে নেয়। এর মধ্যদিয়ে ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কথিত খেলাফদের অবসান ঘটে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আইএস শতভাগ পরাজিত হয়েছে। এক সময় আইএস সিরিয়া ও ইরাকের ৮৮ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ন্ত্রণ করত। ২৬ অক্টোবর মার্কিন অভিযানে আইএস নেতা আবুবকর আল বাগদাদি নিহত হন।

অতঃপর ইসরাইল অধিকৃত ফিলিস্তিনী ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে ইহুদী বসতি স্থাপনকে শেষ পর্যন্ত বৈধতা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে চার দশকের বেশি সময় অনুসরণ করে আসা নীতি থেকে পশ্চাদপসরণ করে ওয়াশিংটন। ১৮ নবেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, পশ্চিম তীরে ইহুদী বসতি স্থাপন আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়।তিনি আরও বলেন,আইনি দিকগুলো পর্যবেক্ষণের পর যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, পশ্চিম তীরে ইহুদী বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলাটা ভুল হবে। ১৯৬৭ পূর্ব জেরুসালেম ও পশ্চিম তীর দখলের পর থেকে অধিকৃত এলাকা গুলোতে ১৪০টির মতো বসতি স্থাপন করেছে তেল আবিব। বসতিগুলোতে ছয় লাখের মতো ইহুদী বাস করে বিদায়ী বছরটিতে সৌদি তেল শিল্প আচমকা হামলার শিকার হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর পূর্বাঞ্চলীয় আবকাইকের আরামকোর তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে তেল উৎপাদন অর্ধেকে নামিয়ে আনে রিয়াদ। হামলা ইরান করেছে না ইরানী মদদপুষ্ট ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা করেছে তাও স্পষ্ট জানা যায়নি। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা ২০ সেপ্টেম্বর জলবায়ু পরিবর্তনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে ধর্মঘট পালন করে। সিডনি থেকে সিউল, ম্যানিলা থেকে মুম্বাইয়ের শিক্ষার্থীরা জার্মান কিশোরী পরিবেশবাদী গ্রেটা থানবার্গেও নেতৃত্বে রাজপথে র‌্যালি করে। মার্চে জলবায়ু ইস্যুতে যে র‌্যালি হয় তার চেয়ে এই র‌্যালিতে দ্বিগুণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ শিরোনামে বৈশ্বিক পর্যায়ে অন্তত পাঁচ হাজার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা ২০২৫ সালের মধ্যে ডিজেল ও পেট্রোলচালিত গাড়ি বন্ধের দাবি জানায়।

অস্ট্রেলিয়ায় পশ্চিমাঞ্চলে ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালি- ফোর্নিয়া দাবানল নতুন কোন ঘটনা নয়। তবে এ বছর ওই অঞ্চল গুলোতে অসময়ে শুরু হওয়া দাবানল জ্বলেছে দীর্ঘ সময় ধরে। সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া দাবানলে এ পর্যন্ত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। সাতশ’র বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। পুড়ে গেছে প্রায় ৩০ লাখ হেক্টর জমি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সিডনিতে জারি করা হয স্বাস্থ্য জরুরী অবস্থা। ১৮ ডিসেম্বর দেশটিতে তাপমাত্রা রেকর্ড ৪০ দশমিক ৯ ডিগ্রী সেলসিয়সে পৌঁছায়। এছাড়া শ্রিলঙ্কায় ১৬ নবেম্বর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসের ভাই গোটাবায়া রাজাপাকসে। তিনি সাজিথ প্রেমাদাসাকে পরাজিত করেন। গোটাবায়া দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিন দশক ধরে চলা তামিল বিদ্রোহ দমনে তার বিশেষ অবদান ছিল। ধারণা করা হচ্ছে এপ্রিলে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলা রাজাপাকসে পরিবারকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছে। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি নিজের ভাই মাহিন্দকে প্রধানমন্ত্রী করেন। ২০১৯ সালের শেষ দিকে এসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসে ইমপিচ হন। ১৭ ডিসেম্বর ২৩০-১৯৭ ভোটে ইমপিচ- মেন্টের প্রথম আর্টিকেলটি পাস হয়। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়- তিনি তার পদ ব্যবহার করে তার ডেমোক্র্যাট রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে ইউক্রেনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছিলেন। অন্যদিকে বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যার শুনানি ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ করা যেতে পারে, জেনোসাইড কনভেনশনের সদস্যদেশ হিসেবে গাম্বিয়া এই মামলা করেছিল। গণহত্যার ঝুঁকিতে থাকা অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের যাতে এখনই নিরাপত্তা দেয়া যায় এবং গণহত্যার প্রমাণ ও আলামত যেন মিয়ানমার নষ্ট করতে না পারে, সে জন্য গাম্বিয়া আইসিজেকে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করে। নতুন বছরের শুরুতে আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুনানিতে গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর আউং সান সুচি হেগের গ্রেট হল অব জাস্টিস অব দ্য পিস প্যালেসের মঞ্চে বাকযুদ্ধে জড়ান।

লেখক ও কলামিস্ট-raihan567@yahoo.com

সর্বশেষ সংবাদ