April 1, 2020

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে হোক বই উৎসব

রায়হান আহমেদ তপাদার : শিক্ষা গ্রহণ আনন্দের, আনন্দের মাধ্যমে যে শিক্ষা গ্রহণ করা যায় তা হয় উদ্দীপনামূলক-তাই বাংলাদেশের সমাজকে এগিয়ে নিতে এই বই উৎসব নিশ্চয়ই শিক্ষার অগ্রগতির একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। বিনা মূল্যে বই বিতরণ অনেকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছে। তাদের মতে, শুধু যাদের বই কেনার সামর্থ্য নেই, তাদের মধ্যেই বিনা মূল্যে বই বিতরণ শ্রেয়। কিন্তু তারা হয়তো বুঝতে চায় না, বিনা মূল্যে বই বিতরণ ও বই উৎসব পালন শিক্ষার প্রতি জাতিকে আগ্রহী করে তোলা। এটি একটি উদ্দীপক প্রকল্প, আমাদের বাল্যকালে বিনা মূল্যে তো দূরের কথা, নতুন বই ক্রয়েরও সামর্থ্য ছিল না। পরাধীনতা বা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রী নির্ভরশীল ছিল পুরনো পাঠ্য বইয়ের ওপর। কোনোভাবে যদি নতুন বই ক্রয় করতে পেরেছি, সেই আনন্দ মনের মধ্যে আজও বাজে। বই উৎসব নববর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বাড়তি আনন্দের দিন। দেশের প্রতিটি জনপদে চলবে এ উৎসব। নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই পৌঁছানো নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে বই উৎসব সফল হবে- এ প্রত্যাশা আমাদের। অতীতে আমরা দেখেছি, বই বিপণন নিয়ে নানা ঘটনা। বিনামূল্যে বিতরণের বই কালোবাজারে বিক্রি, বইয়ের সঙ্গে নোট বই কিনতে অভিভাবকদের বাধ্য করার মতো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেছে। মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণির বই বছরের পর বছর সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রকাশকরা। অন্যদিকে পাঠ্যপুস্তকের মান নিয়েও সংশয় ছিল। অস্পষ্ট ছাপা, নিম্নমানের কাগজ ব্যবহার করা হতো এসব পাঠ্যপুস্তকে। কিন্তু বর্তমানে যে ঝকঝকে ছাপা রঙিন বইগুলো শিক্ষার্থীর হাতে দেয়া হচ্ছে তাতে শিক্ষার্থীদের বই পাঠের আনন্দ বহুগুণ বেড়ে যাবে।

সত্যি কথা বলতে কী, সদিচ্ছা থাকলে এসব অন্তরায় দূর করা যায়, সেটা প্রমাণ করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী এর আগে একাধিকবার শিক্ষাকে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে অভিহিত করেছেন। এটি যে দারিদ্র্যমুক্তির কার্যকর অস্ত্র তা প্রমাণিত হয়েছে শিক্ষা বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দারিদ্র্যমুক্তির ঘটনায়। বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণসহ শিক্ষা খাতে বাজেটের এক উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ যে জাতির জন্য সত্যিকার অর্থেই লাভজনক তা বাস্তবতার নিরিখেই প্রমাণিত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় ছেলেমেয়েদের অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং সমতা তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। প্রাথমিক শিক্ষার সফলতার দিকগুলো হলো শতভাগ শিশুর প্রাথমিকে ভর্তি হওয়া, শ্রেণিকক্ষে লৈঙ্গিক সমতা প্রতিষ্ঠা এবং অতি উচ্চহারে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করা। এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের জন্য দক্ষ জনসম্পদ উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমানে মানসম্মত শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গুণগত ও মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা-পরবর্তী শিক্ষার মূল ভিত্তি। বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রাথমিক শিক্ষাকে গুরুত দেওয়া হয় সবচেয়ে বেশি। শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তির ওপর নির্ভর করে পছন্দমতো পরবর্তী শিক্ষার ধারাকে বেছে নেয়। কারিগরি, বিজ্ঞান, কলা বা বাস্তবমুখী শিক্ষার মাধ্যমে তারা নতুন প্রজন্মকে আগামী দিনের উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। বাস্তব এ চিত্র সামনে রেখেই বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সার্বিক প্রয়াস চালাতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে শিশুবান্ধব পরিবেশ ও অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সচেতন সমাজের দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে আশার কথা হচ্ছে, প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে জাতীয় স্কুল মিল নীতিমালা-২০১৯ অনুযায়ী ৩ থেকে ১২ বছর বয়সি শিশুদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তি চাহিদার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ মানসিক বিকাশ দ্রুত সাধিত হবে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সরকার শিক্ষকদের মাধ্যমে হোমভিজিট, ডিজিটাল হাজিরা, উপবৃত্তি প্রদান এবং ক্লাসসমূহকে আনন্দদায়ক করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকল্পে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি আরো সময়োপযোগী কার্যক্রম গ্রহণের অবকাশ রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকারের গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহের মধ্যে রয়েছে বছরের শুরুতে প্রতিটি স্কুলে ক্যাচমেন্ট এলাকাভিত্তিক শিশু জরিপপূর্বক ভর্তি নিশ্চিত করা, নিয়মিত মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক, হোম ভিজিট কার্যক্রম, বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই বিতরণ, স্কুল ফিডিং কার্যক্রম গ্রহণ ও উপবৃত্তি প্রদান কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক গুণগত মানোন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধন। যা যথাযথভাবে বাস্তবায়নকল্পে শিক্ষা বিভাগ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো বেশি আন্তরিক হতে হবে।

জাতিসংঘ কর্তৃক প্রণীত টেকসই উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে ১৭টি অভীষ্টকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০১৫ সালে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে (এসডিজি) প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে। ১৭টি অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সঙ্গে ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও ২৩২টি পরিমাপক রয়েছে। যার মধ্যে ৪ নম্বর অভীষ্ট হলো মানসম্মত শিক্ষা। এই লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে স্বল্প এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক তা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত। যেমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইংরেজি মাধ্যম প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদরাসাভিত্তিক ইবতেদায়ি ও কওমি শিক্ষাব্যবস্থা এবং এনজিও পরিচালিত প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা, বেসরকারি ও প্রি-ক্যাডেট প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা। প্রণিধানযোগ্য যে, টেকসই উন্নয়নের জন্য গুণগত শিক্ষার বিকল্প নেই। প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার শুরুটা হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই। ১৯৭৩ সালে ৩৬ হাজার ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রার শুভসূচনা করেছিলেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে প্রায় ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে জাতীয়করণ করেন। এ ছাড়া কয়েক শ ইবতেদায়ি মাদরাসাকে এমপিওর আওতায় আনয়ন করেন। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের গৃহীত আরো পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে তিন দফার প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি।

প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গমনোপযোগী দেশের সব শিশুকে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিলনীতির আওতায় নিয়ে আসতে অতি সম্প্রতি ‘জাতীয় স্কুল মিলনীতি ২০১৯-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ নীতিমালার আলোকে ১ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে স্কুল মিলের আওতায় আনা হবে মর্মে ধারণা করা হচ্ছে। ক্লাসসমূহে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার, বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান, স্কুল মিল চালুকরণ, স্কুল ড্রেস প্রদান ও উপবৃত্তি প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের সময়োপযোগী পদক্ষেপের মাধ্যমে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। এ কার্যক্রম শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিসহ গ্রাম ও শহর, ধনী ও গরিবের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে শিক্ষার মানের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করছে। যার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অভীষ্ট-৪-এর প্রতিশ্রুতি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সক্ষম হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বাধাসমূহের মধ্যে রয়েছে, যেমন- বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন, গুণগত মানোন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনে মূল সমস্যা হলো ক্ষুধা ও অপুষ্টি। পেটে ক্ষুধা নিয়ে একটি শিশু কখনো পড়াশোনায় ভালোভাবে মনোযোগ দিতে সক্ষম হয় না। প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা একটি বড় সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যার কারণ দরিদ্রতা, স্বাস্থ্যহীনতা, স্কুলভীতি ও অভিভাবকদের অসচেতনতাকে মূলত দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। যুগোপযোগী ও মানসম্মত পাঠদান পদ্ধতির অভাব। যুগোপযোগী ও মানসম্মত পাঠদানের অভাবে কাক্সিক্ষত পর্যায়ের ফলাফল ও শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে অভিভাবক ও শিক্ষকদের আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাগ্রহণের বিষয়টিকে অনেক ক্ষেত্রে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণের পরিবর্তে তাদের মাঝে ভীতির সঞ্চার করছে।

সর্বোপরি শিক্ষক-অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক, সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকল্পে এসএমসি কমিটির নিয়মিত সভা আয়োজন করা যেতে পারে। বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের মহাসড়কে দুর্বারগতিতে এগিয়ে চলছে, তখন আমাদের এ উন্নয়নকে টেকসই ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রাথমিক শিক্ষাকেও তার স্বগতিতে এগিয়ে নিতে হবে। যার মাধ্যমে আমরা আগামী প্রজন্মকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলা উপহার হিসেবে দিতে সক্ষম হব। সুশিক্ষিত জাতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিনামূল্যে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবই বিতরণ ও নারীদের অবৈতনিক শিক্ষার যে পদক্ষেপ সরকার নিয়েছে তা বিশ্ব সমাজেরও প্রশংসা অর্জন করেছে। শিক্ষাবিদসহ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে এনেছে। যা দেশের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু পাঠ্যপুস্তক উৎসব তখনই অর্থবহ হবে যখন মানসম্মত শিক্ষার আলো পৌঁছে যাবে দেশের প্রতিটি ঘরে। শিক্ষা হতে হবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত। শিক্ষার মান নিশ্চিত সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সে চ্যালেঞ্জ দক্ষতার সঙ্গেই মোকাবেলা করতে হবে। নতুন বছরে এই বই উৎসবে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত, শুধু নতুন বই বিতরণ নয়, প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করা, যাতে বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম শুধু বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে তার প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে। আরো প্রয়োজন একক শিক্ষানীতি, যা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দেবে, বিভিন্ন শিক্ষানীতি চালু করে সমাজে বিভাজন সৃষ্টি না করে একক শিক্ষানীতি সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করবে।

লেখক ও কলামিস্ট-raihan567@yahoo.com

সর্বশেষ সংবাদ