January 19, 2020

আড়াই বছরেও কুলাউড়া ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি

বিশেষ প্রতিনিধি : এক বছরের কমিটি প্রায় পনে তিন বছরে গড়ালেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কুলাউড়া উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর মধ্যে কয়েক দফা কমিটি পূর্ণাঙ্গকরণের কথা শোনা গেলেও পরে আর তা বাস্তবায়িত হয়নি। কমিটি পূর্ণাঙ্গ না হওয়ায় পদ-পদবিহীন তৃণমূলের কর্মীরা হতাশায় ভুগছেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। মুখে কিছু না বললেও তারা ব্যর্থতার জন্য শীর্ষ দুই নেতাকেই দায়ী করছেন। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ পেতে শুরুতে কর্মীরা অনেক দৌড়ঝাঁপ ও তদবির শুরু করলেও তা এখন ঝিমিয়ে পড়েছেন। কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে রাজনৈতিক গ্রুপিং দ্বন্ধের কারণে হতাশ পদপ্রত্যাশী কর্মীরা।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারী মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান রনি ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রনি স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে নিয়াজুল তায়েফ কে সভাপতি ও আবু সায়হাম রুমেল কে সাধারণ সম্পাদক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট এক বছরের কমিটি গঠন করা হয়। এরমধ্যে কমিটির একজন সহ-সভাপতি নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনায় সংগঠন থেকে বহিস্কার হয়েছেন এবং আরেকজন সহ-সভাপতি ইতিমধ্যে বিয়ে করেছেন। এদিকে চলতি বছরের ৭ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি আমীরুল হোসেন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত পত্রে নির্দেশনা দেয়া হয় ১৫ দিনের মধ্যে ছাত্রলীগের কমিটি যেন পূর্ণাঙ্গ করা হয়। কিন্তুু জেলা ছাত্রলীগের নির্দেশনার ৫ মাস পেরিয়ে গেলেও কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি তায়েফ- রুমেল নেতৃত্বাধীন কুলাউড়া ছাত্রলীগের কমিটি।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়াজুল তায়েফ ও সাধারণ সম্পাদক আবু সায়হাম রুমেল বলেন, সম্বন্বয়ের অভাবে এতোদিন কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা তৈরি করে জেলা দপ্তর সম্পাদকের কাছে পাঠানো হয়েছে। জেলা সভাপতি/সম্পাদক এখনো কমিটি অনুমোদন করেননি।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমীরুল হোসেন চৌধুরী জানান, কুলাউড়া ছাত্রলীগের সভাপতি/সম্পাদককে সম্বন্বয় করে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জেলায় প্রেরণের নির্দেশনা দিয়েছি। আশা করি শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।

সর্বশেষ সংবাদ