September 19, 2019

ডু অর ডাই ব্রেক্সিট ইস্যুতেও বিপর্যয়

রায়হান আহমেদ তপাদার : ব্রিটেন একটা দ্বীপপুঞ্জ। ইউরোপ ও ব্রিটেনের মধ্যে আছে সমুদ্র ইংলিশ চ্যানেল এবং নর্থ সি। এই সাগরই সীমান্ত; কিন্তু একটি-দুইটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে। যেমন আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড মিলে একটি আলাদা দ্বীপ। উত্তর আয়ারল্যান্ড ব্রিটেনের অংশ। আর আইরিশ প্রজাতন্ত্র একটি পৃথক দেশ এবং ইইউর সদস্য। এ দুইয়ের মধ্যে আছে স্থল সীমান্ত। তাই ব্রেক্সিটের পর এটিই পরিণত হবে ইউরোপ ও ব্রিটেনের স্থল সীমান্তে। ব্রিটেন ইইউ ছাড়লে এ সীমান্তে কাস্টমস চৌকি বসাতে হবে। আয়ারল্যান্ড আর উত্তর আয়ারল্যান্ডের মধ্যে যত মানুষ ও পণ্য এখন মুক্তভাবে চলাচল করে তখন তা আর থাকবে না। বিরোধীদের আপত্তি, এতে দেশের দুই অংশের জন্য দুই রকম নিয়ম হবে। ব্রিটেন ইইউ ছাড়লেও এর উত্তর অংশ উত্তর আয়ারল্যান্ড ইইউর আইনের কাঠামোর মধ্যেই থেকে যাবে। প্রধানমন্ত্রী জনসন ব্যাকস্টপ বাতিল করার কথা বললেও ইইউ রাজি নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ব্রেক্সিট নিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি বিরল সঙ্কটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রথা ভেঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সরকার আগামী কয়েক সপ্তাহের জন্য সংসদের কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সে লক্ষ্যে নির্দেশ দিতে ব্রিটেনের রানীকে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। জনসনের এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে চরম ক্ষিপ্ত হয়েছে ব্রিটেনের প্রায় সবগুলো বিরোধীদল। তারা মনে করছে, কোনো চুক্তি ছাড়াই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনকে বের করে আনার যে পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী জনসন করছেন, বিরোধীদের হস্তক্ষেপে তা যেন সংসদ আটকে না যায়, তার জন্যই সংসদের অধিবেশন স্থগিত করার বিরল এই সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন।

তবে প্রধান বিরোধীদল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ব্রিটেনের গণতন্ত্রকে চরম হুমকির মুখে ফেলেছেন। সংসদের স্পিকার জন বারকো মন্তব্য করেছেন, এই পদক্ষেপ সংবিধান লঙ্ঘনের সামিল হবে। সবচেয়ে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া এসেছে বিরোধীদল এসএনপি নেত্রী ও স্কটল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নিকোলা স্টারজনের কাছ থেকে। তিনি বলেন,প্রধানমন্ত্রী একটা স্বৈরশাসকের মত আচরণ করছেন। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, তিনি কিছু বাড়িয়ে বলছেন না। কিন্তু যদি সংসদের এমপিরা প্রধানমন্ত্রীকে ঠেকাতে না পারেন, তাহলে ব্রিটেনের সংসদীয় গণতন্ত্রের মৃত্যু হবে। লন্ডনে ব্রিটিশ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের সঙ্কট ব্রিটেনের বহু বছরের রাজনীতির ইতিহাসে খুবই বিরল। সংসদের স্থগিতাদেশকে কী বলবেন, একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর আস্ম্ফালন দেখুন। হাউস অব কমন্সের সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনতে এবং আমাদের আইনগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রেক্সিটের ব্যাপারে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম। কিন্তু একতরফাভাবে ব্রেক্সিট করার জন্য সেই আইনসভাই এখন স্থগিত করা হলো। কোনো চুক্তি না করেই গণভোটের ফলাফলকে পুঁজি করে এ কাজটি করতে চাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। সংসদ স্থগিতাদেশের সিদ্ধান্ত পরিস্কারভাবে বলে দিচ্ছে, ব্রেক্সিট বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা তো সমঝোতা ছাড়া ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগের জন্য ভোট দিইনি। এই প্রচারণার সময় আমরা বলেছিলাম, ইইউর সঙ্গে আমাদের একটি চুক্তি করা দরকার, যা আইসল্যান্ড থেকে তুরস্ক পর্যন্ত পুরো ইউরোপে মুক্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করবে। চুক্তি ছাড়াই ২৯ মার্চের মধ্যে ব্রেক্সিট হলে প্রতিশ্রুতির প্রতি সম্মান দেখানো হতো না। এমন হলে নিঃসন্দেহে অর্থনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হবে।

গণভোটের এক বছর পর ব্রিটিশ নাগরিকরা পুনরায় তাদের গণতান্ত্রিক দাবি জানান। তাদের মধ্যে ৫৪ শতাংশ ইইউ থেকে বেরিয়ে আসার পক্ষে ভোট দিয়েছিল। কোনো চুক্তি না করার বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন বেশিরভাগ নির্বাচিত সদস্য। একটি চলমান প্রক্রিয়াকে অবজ্ঞা করে সংসদ স্থগিত করা হয়েছে, যা অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি ব্রিটেনের গণতান্ত্রিক চর্চাকেও বাধাগ্রস্ত করবে। সংসদ স্থগিতের চিন্তাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। জেরেমি করবিন সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ না করেও প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তার দলকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হবে। এর বিনিময়ে উদ্দেশ্যমূলক ওই বিল কোনো মৌলিক প্রস্তাবকে চাপিয়ে দিতে পারত, যা দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারত এবং ব্রিটেনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুর্বল করতে পারত। বর্তমানে জনসন গণতন্ত্রকে সূক্ষ্ণভাবে আঘাত করছেন। যাই হোক না কেন, প্রধানমন্ত্রী যদি ক্ষতিকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তাহলে তা প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো ব্যবস্থা নেবেই। সংসদীয় গণতন্ত্র স্থগিত করা কোনোক্রমেই কাম্য নয়। কেননা, এর জন্য আমাদের লড়াই করতে হয়েছিল। এটি আমাদের পূর্বপুরুষদের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণের শামিল। কনজারভেটিভ পার্টি তার স্বার্থে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রানীর কাছে আপনি (বরিস) যতই বার্তা পাঠান না কেন, তা আপনার রক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্ত হাস্যরসের জন্ম দেবে এবং একটি প্রতিবাদী আন্দোলন সৃষ্টি করবে। তবে তা সরকারকে উৎখাতের জন্য হবে না। আমাদের বিদ্যমান অধিকার ও স্বাধীনতা সুবিধাভোগী অভিজাতদের কাছ থেকে দাতব্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি, বরং তাদের নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে তা সুরক্ষিত হয়েছে। গণতন্ত্র গতিময়। এর ঐতিহ্য হলো এটিকে রক্ষা করতে লড়াইয়ের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।

ব্রিটিশ জনগণকে অবশ্যই রাস্তায় নামতে হবে এবং পূর্বপুরুষদের মতো যুদ্ধকৌশল প্রয়োগ করে নারী, শ্রমিক ও সংখ্যালঘুদের অধিকার সংরক্ষণ করতে হবে এবং এটা করতে হবে শান্তিপূর্ণভাবে। সংসদ বন্ধ করে দিতে চাইলে সংসদ সদস্যদের অবশ্যই তা প্রত্যাখ্যান করতে হবে। কারণ সংসদের মালিকানা জনগণের এবং তাদেরকে সেবা দেওয়ার জন্যই সংসদ। এর জন্য সারাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতেও অবস্থান নেওয়া দরকার। গণতন্ত্র রক্ষার জন্য যদি একটি সাধারণ ধর্মঘটের প্রয়োজন হয়, তাহলে শুরু হোক ধর্মঘট। প্রধানমন্ত্রী নানা উপায়ে নিজেকে অভিজাতদের বিরুদ্ধে জনগণের শাসক হিসেবে চিত্রিত করতে চান। তার সর্বশেষ কৌশলটি গণতন্ত্রকে অবজ্ঞা করেছে। আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে অবশ্যই প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে। শুধু মনে করলে হবে না, ২০১৬ সালের গ্রীষ্ফ্মের একদিনে আমরা কীভাবে ভোট দিয়েছি। এবার অভিজাত ও যারা ধন-সম্পদ তৈরি করে, তাদের মধ্যে লড়াই হবে। যারা ধ্বংসাত্মক কাজে ব্যয় করে এবং যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাদের মধ্যেও লড়াই হবে। এ ছাড়া যারা কর দেয় এবং তাদেরকে যারা প্রতারিত করে, তাদের মধ্যেও লড়াই হবে। কনজারভেটিভ পার্টির কিছু প্রতিনিধি যারা দলটির অর্থের জোগান দেন, তাদের কোনো ধরনের ব্যয় নিয়ে চিন্তিত থাকতে হয় না। তারা দেশটাকে দাঙ্গা বাধানোর মাঠ মনে করেন। তাদের এমন মানসিকতার বিপরীতে ব্রেক্সিট ইস্যুতে প্রতিপক্ষরা চুক্তির জন্য বিলটি উত্থাপন করেছে। যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তাহলে সংরক্ষণশীল রাজনীতিকরা তাদের নিজেদের দেখাশোনা করবেন, যা তারা সবসময় করে থাকেন। তবে এর কোনোটিই অনিবার্য নয়। অধিকার আদায়ের জন্য আমাদের পূর্বসূরিরা যেভাবে দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছিলেন, এখন আমাদের তাই করতে হবে।

সবারই কমবেশি জানা আছে, ট্রাম্পের দায়িত্ব পালনের যে রেকর্ড, তার দিকে নজর বোলালে দেখা যাবে তাঁর শাসনপদ্ধতি একের পর এক রাজনৈতিক বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাঁর নীতিগুলো সাধারণের মধ্যে অজনপ্রিয় এবং তাঁর নীতির মধ্যে খুব কমগুলোতেই বেশির ভাগ জনমতের প্রতিফলন দেখা গেছে। ট্রাম্প যেটিকে তাঁর সবচেয়ে বড় বিজয় হিসেবে মনে করেন, সেটি হলো কর ছাড় আইন পাস করা। এই আইন পাস হলেও এখন পর্যন্ত এটি সবচেয়ে বেশি অজনপ্রিয় আইন। একইভাবে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল বানানো, সামাজিক খাতে ব্যয় হ্রাস, ওবামাকেয়ারের প্রধান প্রধান অনুবিধি বাদ দেওয়া, ইরান চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা ইত্যাদি নীতি অজনপ্রিয়। অনেক অজনপ্রিয় জরুরি আদেশ ট্রাম্প তাঁর নির্বাহী আদেশ দিয়ে পাস করিয়েছেন। বাস্তবতা হলো যুক্তরাষ্ট্র এখন এক ব্যক্তির শাসনের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। জনসনের বেলাতেও প্রায় একই ঘটনা দেখতে পাচ্ছি। যে ব্রেক্সিট আন্দোলনের ওপর ভর করে জনসন ক্ষমতায় এসেছেন, জনমত সেই ব্রেক্সিটের বিপক্ষে চলে যাচ্ছে। জনগণ ও পার্লামেন্টের অধিকাংশ সদস্য চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিটের বিপক্ষে থাকলেও জনসন বলেছেন, প্রয়োজনে চুক্তি ছাড়াই তিনি যুক্তরাজ্যকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের করে আনবেন। এখন অবধারিত ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এত অজনপ্রিয় নীতি বাস্তবায়ন করার পরও এই দুই মানসিক ভারসাম্যহীন লোক কীভাবে শাসক হিসেবে গদিতে আছেন? উত্তর হলো, উদারপন্থী গণতান্ত্রিক দলগুলো সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক চাওয়া পূরণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে তাঁরা ট্রাম্প এবং বরিস জনসনের মতো নেতার প্রতি ঝুঁকেছেন।

একইভাবে ব্রিটিশ নাগরিকদের একটি অংশ আছে, যারা যুক্তরাজ্যকে আগের মতো প্রভাবশালী অবস্থায় দেখতে চায়। তাঁরাও মনে করেন, জনসনের পক্ষে সেটি করা সম্ভব হতে পারে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্টের অধিবেশন বসে স্থগিত থাকবে এবং পরে আবার ১০ সেপ্টেম্বর বসার কথা ছিল। কিন্তু রানির সিদ্ধান্তে তা স্থগিত থাকবে। ১৪ অক্টোবর নতুন অধিবেশন বসবে যা ইইউ ত্যাগের সময় থেকে আড়াই সপ্তাহ আগে। ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যদি বিরোধী এমপিরা অনাস্থা ভোটে জয়লাভ করতে পারেন তাহলে অক্টোবরেই সাধারণ নির্বাচন হবে। আর রক্ষণশীল দল নির্বাচনে জিতলে ব্রেক্সিট কার্যকর হবে। চুক্তিহীন ব্রেক্সিট কী? সোজা কথায়, এত বড় পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে দেশটির বিভিন্ন খাত ও জনগণকে কিছুটা সামলে নেওয়ার সময় দিতে ইইউর সঙ্গে কোনো সাময়িক চুক্তি ছাড়া বিদায় নিতে হবে। দেশটিকে ইইউর একক মুদ্রা বাজারব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ইইউ আদালত অথবা পুলিশ এমন সংস্থা থেকে দেশটিকে বেরিয়ে আসতে হবে। ইইউর বার্ষিক বাজেটে যুক্তরাজ্যকে অর্থ দিতে হবে না। বর্তমানে বছরে এর পরিমাণ ৯০০ কোটি পাউন্ড। যাইহোক চিন্তার বিষয় হচ্ছে, বিশ্বের সবচেয়ে দুই প্রভাবশালী ও পূজনীয় গণতান্ত্রিক দেশ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের হাল ধরে আছেন বরিস জনসন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁরা দেশ দুটির গণতন্ত্রকে শেষ পর্যন্ত কোথায় নিয়ে দাঁড় করাবেন, সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প সম্প্রতি জনসনকে ‘ব্রিটেনের ট্রাম্প’ বলে সম্বোধন করেছেন। এর মধ্যে তাঁদের ব্যক্তিত্ব ও স্টাইলের মিলের বিষয়টি উঠে এসেছে। এই দুই দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গুলোর চরম ব্যর্থতার কারণে যে তাঁদের মতো নেতারা গদিতে বসতে পেরেছেন, তা এখন স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হচ্ছে।ট্রাম্প ও জনসন উভয়কেই আইরিশ চিকিৎসক ও মনোবিদ ইয়ান হিউস মানসিক ভারসাম্যহীন বলেছেন। যা বিশ্বের দুই প্রভাবশালী দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
লেখক ও কলামিস্ট-raihan567@yahoo.com

সর্বশেষ সংবাদ