June 17, 2019

শ্রমিকের অধিকার ও বর্তমান বাস্তবতা

রায়হান আহমেদ তপাদার : জীবনধারণের জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা-এসবই একজন শ্রমিকের প্রাপ্য। এটা নিশ্চিত করতে হবে মালিকপক্ষকেই। পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দেশে তাই করছে। আর এটাই হচ্ছে শ্রমিকের প্রকৃত মর্যাদা। একুশ শতকে এসে শ্রমিকরা এর কতটুকু মর্যাদা বা অধিকার ভোগ করছে? বর্তমান রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে শ্রমিকশ্রেণির স্বার্থ নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে। কারণ শ্রমিকরা এ দেশের সম্পদ, এ দেশের গর্ব। তাদের কারণেই দেশের অর্থনীতি উজ্জ্বল হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সংহতি এবং উৎসবের দিন হিসেবে উদযাপিত হয়। মে দিবসের পেছনে রয়েছে শ্রমিক-শ্রেণির আত্মদান ও বিরোচিত সংগ্রামের ইতিহাস। অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি থেকে ইউরোপে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়। সেটি ছিল পুঁজিবাদী বিকাশের প্রাথমিক যুগ। তখন শ্রমিকদের কাজের কোনো শ্রমঘণ্টা নির্ধারিত ছিল না। ছিল না ন্যূনতম মজুরির নিশ্চয়তা। যুক্তরাষ্ট্রে স্বতঃস্ফূর্ত ও অসংগঠিতভাবেই অনধিক ১০ ঘণ্টার শ্রমঘণ্টা নির্ধারণ ও অন্যান্য দাবিতে কয়লা খনি শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন শুরু করে। ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে পেনসেল ভেনিয়ার কয়লা খনি শ্রমিকদের সংঘর্ষে ১০ শ্রমিক নিহত হন। ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১ মে আমেরিকার শিকাগো শহরে উল্লিখিত অনধিক ১০ ঘণ্টা শ্রমঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে শ্রমিকদের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের কেন্দ্রস্থল হে মার্কেটের কাছে পৌঁছলে সৈনিকরা বাধা দেয় এবং সংঘর্ষ বেধে যায়। সৈনিকদের গুলিতে বহুসংখ্যক শ্রমিক নিহত ও আহত হন। শ্রমিকদের রক্তে ভেজা শার্ট নিয়ে মিছিল এগিয়ে চলে। আন্দোলন আরও তীব্র রূপ ধারণ করে।
শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত শার্ট লাল পতাকায় রূপান্তরিত হয়। ধর্মঘট ও প্রতিবাদ মিছিল চলে ৫ মে পর্যন্ত। ইতোমধ্যে ৩ মে ৬ জন এবং ৫ মে আরও ৪ জন শ্রমিক পুলিশের গুলিতে নিহত হন। গ্রেফতার হন শত শত শ্রমিক। পরবর্তীকালে যাদের অনেককেই মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকান ফেডারেশন অব লেবারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেন্ট লুইস শ্রমিক সম্মেলনে কাজের সময় ৮ ঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে মে দিবস’ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নামে খ্যাত কমিউনিস্ট ও সমাজতন্ত্রীদের প্যারিস সম্মেলনে ১ মে তারিখটিকে দেশে দেশে শ্রমিক-শ্রেণির আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। মে দিবস সারা পৃথিবীর মেহনতি মানুষের বিজয়ের সম্মিলিত ইতিহাস। এ ইতিহাস যেমন একদিকে বিজয়ের আবার অন্যদিকে বেদনার। বিজয় অর্জনে বহু শ্রমিককে জীবন বিসর্জন দিতে হয়েছে। কারাবরণ করতে হয়েছে। হতে হয়েছে নির্যাতনের শিকার। বিশ্বে আজ শ্রমিকদের আট ঘণ্টা শ্রমের দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশে দেশে ১ মে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে। এবারের মহান মে দিবসের প্রতিপাদ্য হলোÑ ‘সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে শ্রমিক ঐক্যের বিকল্প নেই। মে দিবসের শতাধিক বছরের ইতিহাসে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে অনেক আলোচনা, দেনদরবার হয়েছে, শ্রমিক আন্দোলন অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়েছে। উন্নত অনেক দেশেই আজ শ্রমিক স্বার্থের বিষয়টি যথেষ্ট সুরক্ষা পেয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে আইএলও কনভেনশনসহ শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে স্বীকৃত অনেক ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।
কিন্তু বাংলাদেশের মতো অনেক স্বল্পোন্নত বা উন্নয়নশীল দেশেই শ্রমিকদের অধিকার এখনো ব্যাপকভাবে উপেক্ষিত। বাংলাদেশে প্রতিবছর ২৭ লাখের মতো তরুণ কর্মক্ষম হয়। তাদের ক্ষুদ্র একটি অংশের কর্মসংস্থান হলেও বাকিরা মূলত বেকারই থাকে, না হয় অতি সামান্য মজুরির বিনিময়ে কাজ করতে বাধ্য হয়। কয়েকটি পেশা ছাড়া বাকি পেশার শ্রমিকরা এখনো কোনো হিসাবেই আসে না। এর মধ্যে আছে কৃষি, মাছ ধরা, নির্মাণশিল্প, কুটিরশিল্প, গ্রামগঞ্জে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা ছোটখাটো কারখানা, দোকান, ইটভাটা ইত্যাদি। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে না আছে নিয়োগপত্র, না আছে কর্মঘণ্টা, না আছে উপযুক্ত মজুরি। স্বীকৃত পেশা গুলোতেও রয়েছে নানামুখী বঞ্চনা। কথায় কথায় ছাঁটাই, এমনকি নির্যাতনের নজিরও রয়েছে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানামুখী চাপের কারণে পোশাকশিল্পে কর্মপরিবেশের কিছুটা উন্নতি হলেও তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রার চেয়ে অনেক নিচে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক কারখানায়ই নারী শ্রমিকরা এখনো বঞ্চনার শিকার। পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় তাদের কম মজুরি দেওয়া হয়। নিরাপত্তাহীনতা ও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার মতো অনেক ঘটনাও ঘটে। গৃহস্থালি কাজে সবচেয়ে বেশি নারী শ্রমিক নিয়োজিত থাকলেও এ ক্ষেত্রে এখনো ন্যূনতম শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধুর সরকার মে দিবসকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করেছিল। একইভাবে শ্রমিকদের কল্যাণে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে সেসব উদ্যোগ গতি হারিয়েছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি অনুযায়ী শ্রমিকের অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়ার বদলে তা অস্বীকার করা হচ্ছে।
আমরা আশা করি, বর্তমান সরকার দলীয় আদর্শ ও ঐতিহ্যকে মূল্য দেবে এবং মেহনতি মানুষের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে। ভূলে গেলে চলবে না,বাংলাদেশের রফতানি আয়ের শতকরা ৮০ ভাগেরও বেশি আসে পোশাক খাত থেকে। এ শিল্পের সঙ্গে ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবন-জীবিকা জড়িত। দেশের পোশাক খাতে মালিক পক্ষ মূল মজুরি বৃদ্ধির হার ২৩ শতাংশ বলে দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে তা গড়ে ২৬ শতাংশ কমে গেছে। আর এতে করে পোশাক খাতের সাম্প্রতিক মজুরি বৃদ্ধিকে শুভংকরের ফাঁকি বলে অভিহিত করেছে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। রানা প্লাজা ধসের ছয় বছর উপলক্ষে ‘তৈরি পোশাক খাতে সুশাসন, অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে টিআইবি এ তথ্য জানায়। ২৩ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে এক সম্মেলনে প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, আইন অনুযায়ী প্রতি বছর ৫ শতাংশ হারে মজুরি বৃদ্ধির সঙ্গে ৩৬ শতাংশ বাড়ালে ৭তম গ্রেডে মূল মজুরি হওয়ার কথা ৫ হাজার ২০৭ টাকা, কিন্তু এই গ্রেডে মূল মজুরি ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১০০ টাকা, যা কাক্সিক্ষত পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। এভাবে প্রতিটি গ্রেডে ২৬ শতাংশ মূল মুজরি কমেছে। টিআইবি বলছে, বছরে ৫ শতাংশ হারে বাড়ানোর পর যে মজুরি দাঁড়ায়, তার সঙ্গে কমিশন গঠন করে বৃদ্ধির হারকে তারা বিবেচনায় নিয়েছে। তাদের কথা, ভারতের পোশাক খাতে ন্যূনতম মজুরি ১৬০ ডলার, কম্বোডিয়ায় ১৯৭ ডলার, ফিলিপাইনে ১৭০ ডলার, ভিয়েতনামে ১৩৬ ডলার ও বাংলাদেশে ১০১ ডলার।

কিন্তু মাথাপিছু জিডিপি বিবেচনায় বাংলাদেশের মজুরি হওয়া উচিত ২০২ ডলার, যা ১৭ হাজার টাকার সমান। এখন আছে মাত্র আট হাজার টাকা। রানা প্লাজা ধসের ছয় বছরে পোশাক খাতের ব্যবসা টিকিয়ে রাখার বিষয়ে যতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, শ্রমিকের কল্যাণে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ১ হাজার ১৩৮ জন শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটে এবং আহত হন আরো ১ হাজারেরও বেশি শ্রমিক। রানা প্লাজা ঘটনার ছয় বছর পরও আহত শ্রমিকদের অনেকেই এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেননি। দুর্ঘটনার শিকার ৫১ শতাংশ শ্রমিক এখনো কর্মহীন অবস্থায় আছেন। ২০ শতাংশের শারীরিক অবস্থা আরো অবনতি হয়েছে। অনেকে হাত, পা হারিয়ে রোগ যন্ত্রণায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। গার্মেন্ট শ্রমিক ছাড়াও এ দেশে মোটর শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, হোটেল-রেস্তোরাঁর শ্রমিক ও চাশ্রমিকরা আরো বেশি বঞ্চনার শিকার। বঞ্চনার শিকার নারী কৃষক-শ্রমিকরাও। তারা সমান কাজ করে পুরুষের চেয়ে অনেক কম মজুরি পান। মোটর শ্রমিকদের অবস্থা আরো শোচনীয়। দুর্ঘটনায় যত শ্রমিক মারা যান তার বেশির ভাগই মোটর শ্রমিক। অধিকাংশ মোটর শ্রমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয় না। আট ঘণ্টার বেশি কাজের জন্য ওভারটাইমও দেওয়া হয় না। দুর্ঘটনায় আহত হলে তার চিকিৎসা ও পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব পালন করে না মালিক পক্ষ। একটানা ১৬-১৭ ঘণ্টা গাড়ি চালাতে হলেও তাদের জন্য নেই কোনো বিশ্রামের ব্যবস্থা। নির্মাণশ্রমিকরাও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে বেঁচে আছেন।

এছাড়া চামড়া ও বস্ত্রশিল্পে কর্মরত শ্রমিকরাও নানা প্রকার দুরারোগ্য রোগ-ব্যাধির শিকার। তাদের জীবনেরও নিরাপত্তা নেই। বাংলাদেশে ২ শতাধিক চা বাগানে পাঁচ লাখেরও বেশি শ্রমিক কর্মরত আছেন। এসব শ্রমিক দৈনিক মজুরি পান মাত্র ১০২ টাকা। বর্তমানে একজন কৃষি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি যেখানে ৫০০ টাকা, সেখানে একজন চা শ্রমিকের মজুরি ১০২ টাকা,যা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।এমনকি চা শ্রমিকদের সঙ্গে মালিক পক্ষের এ ধরনের আচরণ অমানবিক ও প্রহসনমূলক। শ্রমিক নেতাদের মতে, অন্যান্য রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের মজুরির সঙ্গে সংগতি রেখে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি কমপক্ষে ৩০০ টাকা হওয়া উচিত। স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও আমরা শ্রমিকদের ন্যূনতম বেঁচে থাকার অধিকারটুকু প্রদান করতে পারিনি। তাদের ন্যায্য মজুরি, কর্মপরিবেশ, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও কর্মস্থলে মানবিক পরিবেশ এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কোনো দেশে মালিক পক্ষ এমনিতেই তা বাস্তবায়ন করে না। এটা নিশ্চিত করতে হলে রাষ্ট্রকেই নিতে হবে উদ্যোগ। নিতে হবে যথাযথ ব্যবস্থা। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা দায়িত্ব পান, তারা শ্রমিকের ভোটে নির্বাচিত হলেও ক্ষমতায় গিয়ে শ্রমিকরে স্বার্থ না দেখে, দেখেন মালিকের স্বার্থ। রক্তের মাধ্যমে অর্জিত শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৯ সালে আইএলও প্রতিষ্ঠিত হয়। দুনিয়ার মজদুর এক হও, শ্রমিকের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। এ স্লোগান চিরজাগ্রত হোক। বেঁচে থাক সারা পৃথিবীর মেহনতি মানুষের মনে অনন্তকাল। আমাদের মনে রাখতে হবে, সর্বহারাদের হারানোর কিছু নেই। পাওয়ার আছে সারা বিশ্ব। তাই সর্বহারাদের বিজয় অনিবার্য।

পরিশেষে বলতে চাই, শ্রমিকের মুক্তিতে অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব। শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা হলে এবং শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ হলে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করবে, সমাজ নির্মিত হবে আদর্শ সমাজ হিসেবে। সমাজে থাকবে অনাবিল শান্তি, সুখ আর সমৃদ্ধি এবং কালক্রমে মেহনতি মানুষের দুর্ভোগ ও কান্না দূর হবে। গরিবের মুখে আশার আলো জ্বলবে এবং মুখে ফুটবে হাসি। সমাজ সভ্যতার সুন্দর বিনির্মাণ সম্ভব হবে। আলোকিত হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ থেকে দূর হবে অনাচার-ব্যভিচার, সব রকমের অসাম্য ও বৈষম্য। অবসান হবে বিভেদ, নৈরাজ্য, হানাহানি আর দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও জঙ্গি কার্যক্রম। পাপাচার মুক্ত হবে আগামী প্রজন্ম। ভিক্ষার ঝুলি বহন করার দুর্নাম বা হাস্যকর উপহাস বহন করতে হবে না বাঙালিদের। কলঙ্কমুক্ত হবে বাংলাদেশ। সচ্ছল স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত হবে আমাদের এই পবিত্র বাংলাদেশ।

 লেখক ও কলামিস্ট  raihan567@yahoo.com

সর্বশেষ সংবাদ