October 22, 2019

কোলবালিশ পেঁচিয়ে ঘুমালে চর্বি কমে: মমতা

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল জানায়, ধারণা করা হচ্ছিল, বিদ্যাসাগরের মুর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেবেন তৃণমূল নেত্রী। কিন্তু তিনি সেখানে দলীয় সমর্থকদের ফিটনেস টিপস দেন।

নিয়মিত হাঁটা থেকে শুরু করে কীভাবে কোলবালিশ পেঁচিয়ে শুলে পেটের বাড়তি চর্বি ঝরে যায়, সব বললেন একে একে। সমাবেশে মমতা বলেন, “এখান থেকে গিয়েই আমায় রোড শো করতে হবে। রোড শো মানে গাড়িতে চেপে নয়। আমি গাড়িতে চেপে রোড শো করি না। পায়ে হেঁটে করি। টানা দাঁড়িয়ে রোড শো করলে পা ফুলে যায়।”

এরপরই মমতা স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে একের পর এক বলতে থাকলেন। তিনি বলেন, আমি তো এক জায়গায় পাঁচ মিনিটের বেশি বসি না। অফিসে যখন কাজ করি তখন চক্কর কাটি। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ফাইল দেখি। আমি রোজ ২০ কিলোমিটার হাঁটি। হাঁটলে আমার মাথা হাঁটে, ব্রেন হাঁটে। এটা আমি কবিতাতেও লিখেছি।

মমতা বলেন, “আগে মশলা বাটলে, তরকারি কাটলে, কাপড় কাচলে শরীরের ব্যায়াম হতো। কিন্তু এখন তো সব মেশিন। আমরা সব মেশিনে ঢুকে গেছি।”

তৃণমূল নেত্রী আরও বলেন, “আমি মনে করি ওল্ড ইজ গোল্ড। দেখবেন আগেকার লোকেরা সাজিয়ে ভাত খেতে দিত। আর বাড়ির অভিভাবককে মাছের মাথাটা দিত। কারণ ওই মাথায় ঘিলু থাকে, সেটা মাথায় গেলে ব্রেনটা কাজ করে। বাড়ির অভিভাবককে ঠিক থাকতে হবে। না হলে চলবে না। আগেকার লোকেরা কোলবালিশ নিয়ে শুতো। কারণ কোলবালিশ ইউজ করলে পেটের বাড়তি চর্বি কমিয়ে দেয়।”

স্বাস্থ্য সচেতন এ নারী নেত্রী বলেন, “দেড় মাস ধরে মিটিং করছি। অনেকে জিজ্ঞেস করে, দিদি আপনার গলা ভাঙেনি? আমি বলি না। ভেঙেছে। তবে অতটা ভাঙেনি। কারণ আমি গলাতেও ব্যায়াম করি।”

মমতার হাঁটার নেশা অনেকেরই জানা। সুযোগ পেলে রাজ্য সচিবালয়ের বিশাল ছাদেও কয়েক চক্কর হেঁটে আসেন তিনি। অনেক সময় চলে যান পার্কেও। তার সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে অনেক তরুণ নেতাকর্মীরাও হাঁফিয়ে ওঠেন ।

এ ছাড়া ঘরোয়া বৈঠকে শরীরের প্রতি যত্ন নিতে প্রায়ই নেতাদের পরামর্শ দেন তিনি। এক এমপির পেট বেড়ে যাওয়ায় বকাও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নির্বাচনী জনসভায় এ প্রথম ফিটনেস টিপস দিলেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ