July 22, 2019

শ্রীলঙ্কার এই আতঙ্ক বিশ্বকে নাড়া দিল

রায়হান আহমেদ তপাদার : শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয় সিরিজ বোমা বিস্ফোরণে ব্যাপক প্রাণহানির মধ্যেই গোটা শ্রীলঙ্কায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ২১ এপ্রিল শ্রীলংকায় সকালটা শুরু হয়েছিল উৎসবমুখর পরিবেশে। খ্রিষ্টধর্ম বিশ্বাসীদের জন্য খুবই আনন্দের ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন ‘ইস্টার সানডে’। এ কারণে ওই দিন গির্জায় বহু মানুষের সমাগম ঘটেছিল। অথচ মুহূর্তেই দিনটি রক্তাক্ত হলো সহিংসতার হিংস্র থাবায়। ছোট দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলংকায় এ ধরনের ঘটনা আতঙ্কজনক বার্তা দিচ্ছে। কয়েকটি গির্জা ও হোটেলে এই সন্ত্রাসী হামলা দক্ষিণ এশিয়ায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। আতঙ্কের এই ছায়া বিস্তৃত হয়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। বিগত এক দশক কিংবা আরও বেশি সময়ের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় এটি সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা। হতাহতের সংখ্যা যদি আমরা বিবেচনায় নেই, তাতেও যেমন এর ভয়াবহতা মারাত্মকভাবে প্রকাশ পায়, তেমনি ব্যাপকতার বিচারেও এর সমীকরণ দাঁড়ায় একই। এই হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য কারা ছিলেন তা স্পষ্ট করে এখনও বলা যাচ্ছে না, তবে ধারণা করা যায়, খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী ও বিদেশি পর্যটকরা অন্যতম লক্ষ্য ছিলেন। হতাহতের মধ্যে বহু বিদেশি রয়েছেন। আছেন বাংলাদেশি নাগরিকও। এই লেখাটি যখন লিখছি তখন মৃতের সংখা ২৯০-এ দাঁড়িয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে; কারণ চিকিৎসাধীন আহত অনেকের অবস্থাই সংকটাপন্ন। শ্রীলংকায় এই হামলা থেকে এখনও সুস্পষ্ট কোনো বার্তা মেলেনি বটে, কিন্তু তা যে ভয়ঙ্কর রকমের অশুভর ইঙ্গিত তা আর ব্যাখ্যা-বিশ্নেষণের প্রয়োজন রাখে না। যদি ঘটনার দায় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্বীকার করত তাহলে বার্তাটাও স্পষ্ট হয়ে যেত।  কিন্তু যেহেতু এ পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয় সেহেতু এই হামলার দায় যে কারোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তবে একটি বিষয় খুবই গুরুত্বের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, শ্রীলংকার সরকার, গণমাধ্যম এ ব্যাপারে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। তারা হুট করে কারোর দিকে আঙুল তুলেনি। তাদের সন্দেহের দৃষ্টি নানা দিকেই আছে বিদ্যমান পরিস্থিতি এও বলে। এই হামলার রহস্য উন্মোচনে অবশ্যই দায়িত্বশীল মহলকে সতর্কতার সঙ্গে এগোতে হবে। কোনো রকম ভুল-ত্রুটি যাতে না হয় এ জন্য অধিকতর সজাগ থাকা জরুরি। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে সৌহার্দ-ভ্রাতৃত্বের বন্ধনও দৃঢ় করতে হবে। ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রত্যেককে সতর্ক অবস্থান নিতেই হবে। ২১ এপ্রিল শ্রীলংকায় স্থানীয় সময় প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিটে খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উদযাপনকালে কোচকিকাদে, কাতুয়াপিটিয়া ও বাট্রিকা নামক স্থানে তিনটি গির্জায় ভয়াবহ বোমা বিস্ম্ফোরণ ঘটে। প্রায় একই সময়ে দেশটির রাজধানীর অভিজাত তিনটি হোটেলেও বোমা বিস্ম্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সে দেশের পুলিশের তরফে বলা হয়েছে। এ নৃশংসতার মূল হোতা কারা তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কিছুদিন আগে নিউজিল্যান্ডে এমন বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে গেছে। কিন্তু শ্রীলংকার ঘটনাটি আরও বেশি ভয়াবহ এবং বিদ্যমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মনে হচ্ছে, এটি দীর্ঘ পরিকল্পনার নৃশংস বহিঃপ্রকাশ। প্রথম বিস্ম্ফোরণটি কলম্বোর সেন্ট অ্যান্থনি চার্চ ও কাতুয়াপিটিয়ার সেন্ট সেবাস্থিয়ান চার্চে ঘটে। ওই সিরিজ বোমা হামলার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর আবারও কলম্বো ও এর পার্শ্ববর্তী শহরে আরও দুটি বোমা বিস্ম্ফোরণ ঘটে।  উল্লেখ্য যে, এমন সব হোটেলে হামলা হয়েছে যার পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া হয় ব্যাপক। এত বড় সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটে গেল অথচ দেশটির গোয়েন্দারা পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে কিছুই করতে পারলেন না! আবার এও শোনা যাচ্ছে. শ্রীলংকার পুলিশ নাকি এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা আগেই কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিল। জানা যায়, ১১ এপ্রিল শ্রীলংকার পুলিশপ্রধান দেশের সর্বত্র পাঠানো একটি অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সতর্ক বাণীতে দেশের উল্লেখযোগ্য গির্জায় আত্মঘাতী বোমা হামলার আশঙ্কা করেছিলেন। যদি তাই হয়, তাহলে দেশটির নিরাপত্তা সংশ্নিষ্ট দায়িত্বশীলরা নিঃসন্দেহে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এ রকম একটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার প্রস্তুতির জন্য অবশ্যই সময়ের প্রয়োজন। অন্যদিকে হামলার পর শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে বলেছেন, তার সরকারের কাছে এ ধরনের হামলার আগাম তথ্য ছিল না। যাই হোক, এই হামলার পর আমরা এটুকু ধারণা করতে পারি, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কিংবা চক্রের শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত ও বিস্তৃত। ঘটনার ব্যাপকতা তাই তুলে ধরে। সার্কভুক্ত দেশ শ্রীলংকা আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। শ্রীলংকায় সংঘটিত এ ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নানা রকম আশঙ্কা আমাদেরও তাড়া করে। শ্রীলংকায় যে ভয়াবহ হামলা ঘটে গেল এর রহস্য উন্মোচনে হয়তো কিছুটা সময় লাগবে। কিন্তু আমাদের অবশ্যই সতর্ক অবস্থান নিতে হবে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে এক কাতারে দাঁড়িয়ে এ ধরনের সন্ত্রাস মোকাবেলায় ও নির্মূলে সহযোগিতার হাত বিস্তৃত করতে হবে। এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম আলোচনায় এলেও শ্রীলংকা সরকার এ ব্যাপারে বেশ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বলেই মনে হয়। তারা কোনো মহলের দিকে আঙুল না তুলে ঘটনার উৎস খুঁজছে।  আশ্চর্যের বিষয়, সাংগঠনিকভাবে এত ব্যাপক হামলা চালানোর মতো শক্তি-সামর্থ্য কাদের আছে তা বিশ্নেষণ ও পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন বলে মনে করি। আমাদের স্মরণে আছে, তামিল টাইগাররা অতীতে বড় ধরনের কয়েকটি মর্মন্তুদ ঘটনা ঘটিয়েছিল। সবকিছু আমলে রেখেই রহস্য উন্মোচনে এগোতে হবে শ্রীলংকার সাম্প্রতিক ইতিহাস বলে, আড়াই দশকেরও বেশি সময় তামিল টাইগাররা দেশটিতে ভয়াবহ রকমের ঘটনা ঘটিয়ে চলছিল। শেষ পর্যন্ত তামিল টাইগাররা পরাজিত হয়। কিন্তু তাদের অস্তিত্ব নির্মূল হয়ে গিয়েছিল কি-না সেটা বলা মুশকিল। ২০০৯ সালে শেষ হয় শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধ। কিন্তু গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও শ্রীলংকায় বিচ্ছিন্নভাবে বেশ কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ২১ এপ্রিলের হামলার পর নানা মহলে কয়েকটি সন্ত্রাসী সংগঠনের নাম আলোচনায় এলেও এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। কিন্তু শ্রীলংকা সরকারের ভাষ্যে পাওয়া গেছে যে, তারা হামলাকারী গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। দেশটির পুলিশপ্রধানের বক্তব্যও এ রকমই। কিন্তু তাদের সূত্র এক কি-না এবং এই গোষ্ঠী সম্পর্কে সবকিছুই আমাদের এখনও অজানা রয়ে গেছে।আমরা যদি এখন পর্যন্ত সংগঠিত বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসী হামলাগুলোর দিকে দৃষ্টি দেই তবে দেখতে পাব, ওই সব বড় রকমের সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে স্থানীয় কারও না কারও সংশ্নিষ্টতা রয়েছে। কোথাও কোথাও এর ব্যতিক্রমও আছে, তবে স্থানীয় গোষ্ঠী বা ব্যক্তির কোনো না কোনো রকম যোগাযোগের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। তা ছাড়া এত বড় সন্ত্রাসী হামলার পেছনে আন্তর্জাতিক মদদের বিষয়টিও তো সন্দেহের মধ্যে থাকে। দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা বিনষ্টের পেছনে নানারকম কূটকৌশলের কথা বহুবার নানাভাবে আলোচনায় ইতিমধ্যে এসেছে।  কিন্তু শ্রীলংকায় দীর্ঘদিন গৃহদাহ চলার কারণে সহিংসতা কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য একটা গোপন প্ল্যাটফরম থাকার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যদিও এক দশক আগে তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের জব্দ করে দেওয়ার পাশাপাশি এ ব্যাপারে নজরদারি এখনও কঠোর রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই কঠোর নজরদারি এড়িয়ে স্থানীয়দের এমন হামলার কিংবা হামলা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হওয়া কতটা সম্ভব! এ ধরনের ঘটনা তো শুধু প্রাণহানি ও রক্তপাতই ঘটায় না। অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাও বিঘ্নিত করে মারাত্মকভাবে। নৃশংস এই হামলার পর দেশবাসীকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। তদন্ত কাজে সহায়তা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ঘটনার পরপরই জরুরি সভা ডাকেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বুয়ান বিজয়াবর্ধনে সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করে বলেছেন, দেশে কোনো ধরনের উগ্রবাদী দলের অস্তিত্ব থাকলে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোর প্রধান বিমানবন্দরের কাছ থেকে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিপুল পরিমাণ বিস্ম্ফোরক উদ্ধার করেছেন। রোববার হামলার পর দেশটির বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালান এবং বিস্ম্ফোরকের সন্ধান পান। এতেও প্রতীয়মান হয় যে, এই হামলার ছক কষা হয়েছে সময় নিয়ে এবং হামলার লক্ষ্যস্থল ছিল বেশ কয়েকটি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ২২ এপ্রিল সতর্ক বার্তা দিয়েছে এ রকম হামলা শ্রীলংকায় আরও হতে পারে। হোটেলে হামলা এবং বিদেশিরা হতাহত হওয়ায় ঘটনাটি আরও বিশেষভাবে নজর কাড়ে। আমরা জানি যে কোনো হামলার উদ্দেশ্য শুধু হত্যাকাণ্ড ঘটানোই নয়, লক্ষ্য থাকে সবার দৃষ্টি কাড়া।  এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, শ্রীলংকায় হামলা কারীরা সফল হয়েছে। সভ্যতা-মানবতার আবার পরাজয় ঘটেছে বটে কিন্তু হীন স্বার্থবাদীদের উদ্দেশ্য তো তাদের দৃষ্টিতে সফল। শ্রীলংকার রক্তাক্ত এই চিত্র আমাদের মধ্যে ত্রাসের সৃষ্টি করেছে। তাই সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে আগাম সবরকম সতর্কতা ও ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। সন্ত্রাস সভ্যতা-মানবতার সংজ্ঞা সূত্রে একেবারেই পরিত্যাজ্য। এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, যে কোনো ধরনের উগ্র মতবাদ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে এবং এর বহুবিদ নজির আমাদের সামনে আছেও। ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়েও এই সত্যই পুনর্বার আমাদের সামনে ভেসে উঠেছিল। তবে সর্বশেষ শ্রীলংকায় গির্জা ও অভিজাত হোটেলে হামলা চালিয়ে পুনর্বার যে ঘৃণ্য নজির স্থাপন করেছে সন্ত্রাসী কিংবা উগ্রবাদীরা তা বর্তমান অস্থিতিশীল বিশ্বের প্রেক্ষাপটে একটি ভিন্নমাত্রার ভয়ঙ্কর রকমের অশুভ বার্তা সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের ফেরার পরিবেশ তৈরি করতেই সোমবার সকালে কলম্বোর বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেয়া হয়। সে সময়েই প্রেসিডেন্টের যে গেট দিয়ে বের হবার কথা, সেখানে শক্তিশালী পাইপ বোমার সন্ধান পায়। এরপর বিমানবাহিনীর সদস্যরা সেটি সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করেন। ২০১৩ সালে তামিল বিদ্রোহীদের সাথে শ্রীলঙ্কান সরকারের ১০ বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান হয়। এরপর শ্রীলঙ্কায় এ ধরনের বড় কোনো হামলার ঘটনা এই প্রথম ঘটল। শ্রীলঙ্কার জনসংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ। বৌদ্ধরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশটিতে মুসলিম, হিন্দু আর খ্রিষ্টান সম্প্রদায় সব মিলে মোট জন সংখ্যার মাত্র ৮ থেকে ১২ শতাংশ। সব ধর্মের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তাড়া করছে শ্রীলঙ্কাকে। সঙ্গে বেড়ে চলেছে বিস্ফোরণে নিহত মানুষের সংখ্যা। ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ৭ ভারতীয়-সহ মৃত ৩১০ জন। এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কা প্রশাসনের দাবি, ন্যাশনাল তৌহিদ জামাতই আন্তর্জাতিক এক সংগঠনের মদতে এই ঘটনা ঘটায়। দেশে জরুরী অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিরিসেনা প্রশাসন।  লেখক ও কলামিস্টraihan567@yahoo.com

 

সর্বশেষ সংবাদ