April 25, 2019

ওসমানী বিমানবন্দর: আন্তর্জাতিক মর্যাদা ও বাস্তবতা

রায়হান আহমেদ তপাদার : বিশ্বের দ্বিতীয় লন্ডন নগরী সিলেট শহরকে বলা হয়। সিলেট বিভাগ অধিক্ষেত্রভুক্তি একটি জেলা। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল বলা হয় সিলেটকে। সিলেট বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ। দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী ও বিশ্বের দ্বিতীয় লন্ডন হিসেবে খ্যাত। সিলেট একটি প্রবাসীবহুল জনপদ। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিলেট বিভাগের মানুষের বসবাস রয়েছে। তবে এই অঞ্চলের অধিক মানুষ লন্ডন বসবাস করে। তাই সিলেট শহরকে দ্বিতীয় লন্ডন নগরীর মতো গড়ে তুলেছে স্থানীয়রা। কিন্তু দুঃখের বিষয় ওসমানী বিমানবন্দরটি আজও আন্তর্জাতিক মর্যাদায় যেতে পারেনি। দুই দশকেও আন্তর্জাতিক হতে পারেনি ওসমানী বিমানবন্দর এই খবরটির অভ্যন্তরে দুর্নীতির ২০ বছরের পুরানো গন্ধ অবশ্যই পাওয়া যাবে। ২০ লক্ষেরও বেশি সিলেটি প্রবাসী এবং সিলেটবাসী তথা সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের প্রত্যাশা-দুর্নীতির ২০ বছরের পুরানো গন্ধের খুঁজে ‘দুদক’ এর দক্ষ সাহসী কর্মকর্তাগণ ‘জিরো টলারেন্স’ নিয়ে অভিযান শুরু করবেন। ওসমানী বিমানবন্দর কেন আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাচ্ছে না এর তো অবশ্যই কোন গুরুতর কারণ রয়েছে। নিশ্চয় এর পেছনে কোন দুর্নীতি কাজ করছে। সেই দুর্নীতির অভিযোগ কার বিরুদ্ধে দৈনিক ভোরের কাগজ তো স্পষ্ট করেই বলেছে। আর সেটা হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দর কেন্দ্রীক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা। যে প্রতিবন্ধকতা তথা দুর্নীতির কারণে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত হলো না সুদীর্ঘ বিশটি বছরেও এ দুর্নীতিকে কী হালকাভাবে দেখার কোন অবকাশ রয়েছে?

নবগঠিত সরকারের মূল কথাই হলো দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স। দুর্নীতির অবসান হলেই ইস্তেহারের অন্যান্য সব দফা বাস্তবায়নে কোন সমস্যাই হবে না। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো ইচ্ছে থাকলেও দুদক সবকিছু করতে পারে না। করা সম্ভব নয়। দুদকের পেছনে শক্তি যোগাতে হবে অন্য কোন সৎ চিন্তার শক্তি। যে শক্তি দুর্নীতিকে উচ্ছেদ করতে সত্যিই আন্তরিক। আর সে শক্তি হলো নতুন সরকারে স্থান পাওয়া সিলেট বিভাগের ৫ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.এ.কে আব্দুল মোমেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ মান্নান, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে সত্যিকার অর্থেই ‘আন্তর্জাতিক’ করতে সিলেটের গর্ব মন্ত্রী মহোদয়গণ শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বিশেষ ভূমিকা অবশ্যই পালন করবেন বলে সিলেট অঞ্চলের ২০ লাখেরও বেশি প্রবাসী ভাইয়েরা প্রত্যাশা করেন। তবে এক্ষেত্রে বিষয়টি কোন অর্থেই আঞ্চলিক কোন বিষয় নয়। যখন কেউ কোন দেশের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তখন তিনি সারা দেশেরই মন্ত্রী। আর ওসমানী বিমানবন্দর সত্যি সত্যি ‘আন্তর্জাতিক’ হলে সারাদেশেরই উন্নতি হবে। অর্থনীতিতে প্রবাসী বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। তাই এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের সুহৃদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে গেল। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসীন করলেন।

আশার কথা হলো, নতুন সরকারের একটি দফা হলো-দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স। অনেকেরই ধারণা সব দফার এক দফা হলো এই দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স। বঙ্গবন্ধুর এক দফা বাংলার স্বাধীনতা যেমনি করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন তথা আজকের বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে স্থান করে নিয়েছে তেমনি দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স’ বাস্তবায়ন হলে শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ’ বিশ্ববাসীকে অবাক করে দেবে। এদিকে দুর্নীতি বলতে আর্থিক দুর্নীতির কথাই বুঝানো হয়ে থাকে। আর অনেকাংশে এমনটিই হয়তো সত্যি। কিন্তু এছাড়াও দুর্নীতির নানান ধরণ-ধারণ সমাজ-দেশ-রাষ্ট্রকে পিছিয়ে দিচ্ছে। তবে যে ধরনের দুর্নীতিই হোক না কেন, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এর পেছনে অর্থনৈতিক লাভ-লোকসানের বিষয়টিই জড়িত। বাংলাদেশ বিমানের লন্ডন-সিলেট রুটে ফ্লাইট চালু থাকলেও নেই কোন ফিরতি ফ্লাইট। খবরটিতে বলা হয়, ১৯৯৮ সালের ২০ ডিসেম্বর তৎকালীন স্পিকার মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ সরকার ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করে। ২০১১ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরাসরি সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট চালু হওয়ায় খুব খুশি হয়েছিলেন বৃহত্তর সিলেট প্রবাসীরা। কিন্তু সেই খুশি বেশিদিন থাকেনি। ঘন কুয়াশার অজুহাত দেখিয়ে ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বর সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পর দীর্ঘদিনেও সেটা আর চালু হয়নি। এরপর ২০১৭ সালের ১৫ই মার্চ দুবাই থেকে ফ্লাই দুবাই নামক একটি ফ্লাইট সিলেটে আসে যাত্রীদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছাও জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মেনন সাহেব। তারপর কি হলো? এক অজ্ঞাত কারণে সেটিও বন্ধ হয়ে গেল। এর ফলে কার কি লাভ হলো কেউ জানেন না। কেউ কেউ জেনেও অজ্ঞাত কারণে না জানার ভান করেন।

আর এতে সুদূর প্রসারী লাভের মুখ তো অবশ্যই কেউ কেউ পেয়ে থাকেন। কিন্তু ক্ষতি কার হলো? ক্ষতি হলো প্রবাসী সিলেটি ভাইদের। বৃহত্তর দিক বিবেচনা করলে ক্ষতি হলো বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিরই। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় প্রতিদিন গড়ে ৭-৮শ প্রবাসী সিলেটি আসা যাওয়া করেন। এর তিন-চতুর্থাংশই সড়কপথে ঢাকায় গিয়ে ফিরতি ফ্লাইট ধরেন। এতে অনেকেই নানা প্রকার হয়রানি ও বিড়ম্বনার শিকার হন। বিভিন্ন পত্রিকার ভাষ্যমতে শাহজালাল বিমানবন্দর কেন্দ্রিক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের অপতৎপরতায় সিলেট থেকে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে লাভ হচ্ছে বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর। এদিকে ওসমানী থেকে বাংলাদেশ বিমানসহ অন্যান্য এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় ক্ষুব্ধ ও হতাশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী ২০ লাখেরও বেশি বৃহত্তর সিলেটের।এমন অভিযোগও পাওয়া যায়, ঢাকা হয়ে আসা যাওয়া করতে গিয়ে সময়ের অপচয় সহ বিভিন্ন হয়রানির ভয়ে অনেক প্রবাসী দেশে আসার আগ্রহ হারাচ্ছেন। আর এতে যে বাংলাদেশে ও প্রবাসে ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষতি হচ্ছে তা কী বলার অপেক্ষা রাখে! দৈনিক ভোরের কাগজকে দেয়া বক্তব্যে সিলেটে কর্মরত বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেছেন, রিফুয়েলিং সিস্টেম চালু হওয়ায় ওসমানী থেকে বিভিন্ন দেশে সরকারি ফ্লাইট পরিচালনা সম্ভব। লন্ডন থেকে বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং-৭৭৭ যাত্রী নিয়ে আসতে পারছে; তাই এখন থেকে যাত্রী নিয়ে যেতেও কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তাহলে এমনটি হলো কেন? কেন দুই দশক তথা বিশ বছরেও কেন সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দর ‘আন্তর্জাতিক’ হতে পারলো না?

এমনকি অভিযোগ আছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কেন্দ্রিক একটি সিন্ডিকেট ওসমানী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। আর এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সিলেটি বিমানযাত্রীগণ। ইউরোপ-আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়া-কানাডা-মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ ছাড়াও ভারতের সেভেন সিস্টারস, কলকাতা-দিল্লি-চেন্নাই ইত্যাদি জায়গায় সিলেটের অনেক পর্যটক, ব্যবসা, বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিগণ, তীর্থস্থান দর্শনকারী সরাসরি বিমানে যাতায়াতে যাওয়া আসার সুযোগ পেলে বিশেষভাবে উপকৃত হতেন। বৃদ্ধি পেতো ব্যবসা-বাণিজ্য। এতে শুধু যে সিলেটেরই লাভ হতো তাতো নয়; সারা বাংলাদেশই উপকৃত হতো। কিন্তু বিশেষ মহলের অপতৎপরতার কারণে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর বিশ বছরেও আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাচ্ছে না। কিন্তু কেন পাচ্ছে না তা ক্ষতিয়ে দেখার আহ্বান বৃহত্তর সিলেটবাসীর। এমনিতেই স্বাভাবিক ভাবেই দেশের সিংহভাগ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দুর্নীতি দমন কমিশন সাহসী প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতির অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা। এখন প্রশ্ন হলো, এদেশে তো মন্ত্রী-এমপিরাই দুর্নীদির সাথে জড়িত নন, বলতে গেলে সব জায়গাতেই দুর্নীতি। দেশে প্রবাসীদের বিনিয়োগে বাঁধা সৃষ্টি যারা করবেন তারাওতো দুর্নীতিবাজদের কাতারেই পড়েন। কথিত যে সিন্ডিকেট ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক’ করতে ২০টি বছর কাটিয়ে দিলো তারাওতো দুর্নীতিবাজ! ওদের ব্যাপারে কী সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ দেখানো যায় না! দুদক চেয়ারম্যান আরো বলেন, নিয়োগ বাণিজ্য, ভর্তি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য সহ যেখানেই দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যাবে সেখানেই দুদক হাজির হয়ে যাবে।

এবারের নতুন সরকারের মধ্যে নবীন-প্রবীণের সমাবেশ ঘটেছে মন্ত্রীসভায়। যদিও বাহ্যিকভাবে প্রতীয়মান হয় নবীনদেরই প্রাধান্য। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নবীন নন। একদিকে নবীন। অন্যদিকে বিশেষ করে তিক্ত অভিজ্ঞতায় তিনি প্রবীণের চেয়েও প্রবীণ। অভিজ্ঞ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির উভয় ক্ষেত্রে। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায় মন্ত্রীসভা নবীন-প্রবীণের এক মহামিলন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঋদ্ধ প্রতিশ্রুতিশীল এক আত্মবিশ্বাসী মন্ত্রীপরিষদ। যে যা-ই বলুন না কেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনটি ছিলো অংশগ্রহণমূলক। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল কর্তৃৃক নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করা হয়। যে দলগুলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হতে পারেনি তাদের পক্ষে নির্বাচনী ইস্তেহার বাস্তবায়ন করার কোন দায়ভার থাকতে পারে না। আওয়ামীলীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায়। তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন আ’লীগ সরকারের অবশ্যই কর্তব্য। জনগণের প্রত্যাশা এমনটিই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হলেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ৬ দফা জাতির সামনে উপস্থাপন করেছিলেন এবং বাঙালি জাতি ৬ দফার দাবিগুলোর প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে ছিল। আর দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর আসলে এক দফাই ছিল আর সেটি ছিলো বাংলার স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর এক দফা অর্থাৎ স্বাধীনতা লাভের পর বাকি ৫ দফা এমনিতে আদায় হয়ে যায়। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আ’লীগ জাতির সামনে ইস্তেহারে অনেক দফার কথা উল্লেখ করেছেন। সিলেট ওভারসিজ সেন্টার সূত্র জানায়, সিলেট অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক লোক জীবন ও জীবিকার তাগিদে প্রবাসে রয়েছেন। যুক্তরাজ্য প্রবাসী ৫ লাখ বাংলাদেশির ৯৫ ভাগই সিলেটের। আর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ৬ লাখ বাংলাদেশির অর্ধেকই এ অঞ্চলের। দেড় লাখ ইতালি প্রবাসী ও দেড় লাখ কানাডা প্রবাসীর অর্ধেকেরও বেশির মূল ঠিকানা সিলেট। এর বাইরে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের উল্লেখযোগ্য অংশ সিলেটের বাসিন্দা। সারা বছর তারা দেশে আসা যাওয়া করেন। এর মধ্যে জুন-জুলাই এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরে তাদের আনাগোনার মাত্রাটা একটু বেশি থাকে। নতুন সরকারের কাছে সিলেট প্রবাসীদের প্রাণের দাবি শীঘ্রই সিলেট থেকে সরাসরি সকল আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করার ব্যবস্থা করে এটিকে আন্তর্জাতিক মর্যাদার আসনে স্থান দিবেন।

লেখক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট-raihan567@yahoo.com

সর্বশেষ সংবাদ