July 15, 2019

আকাশে ছিল নেকড়ে চাঁদ!

বাংলানিউজ ডেস্ক : গতকাল (২১ জানুয়ারী) পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হয়েছে। একে ‘সুপার ব্লাড মুন’ বা ‘সুপার ব্লাড উলফ মুন’ (নেকড়ে চাঁদ) বলেও অভিহিত করা হয়। গ্রীনিচ সময় রাত ৩টা ৩৩ মিনিটে শুরু হয় এই চন্দ্রগ্রহণ আর ভৌগলিক অবস্থান ভেদে ভোর ৬টা ৫০ মিনিটের মধ্যে এই গ্রহণ শেষ হয়। বাংলাদেশ বা এশিয়ার কোনো দেশ থেকে এ দৃশ্য দেখা যায়নি। তবে আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে ‘নেকড়ে চাঁদ’ দেখা গেছে।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দারাও এই দৃশ্য দেখা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ইউরোপের বাকী অংশ ও আফ্রিকা থেকে দেখা গেছে আংশিক গ্রহণ। এরকম আরেকটি পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখতে বিশ্ববাসীকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকলে এবং চাঁদের ওপর পৃথিবীর ছায়া পড়লে চন্দ্রগ্রহণ হয়। এ সময় সূর্যরশ্মি ছড়িয়ে পড়ে এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের ওপর গিয়ে পড়ে বলে চাঁদকে রক্তিম লাগে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র নাসার তথ্যমতে, চাঁদ নিজের কক্ষপথে আবর্তনের যে পর্যায়ে পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে, তখন সুপারমুন দেখা দেয়। এ সময় পৃথিবী থেকে চাঁদকে ১৪ শতাংশ বড় দেখায়। এর উজ্জ্বলতাও বেড়ে যায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত।

প্রসঙ্গত, আমেরিকার আদি বাসিন্দাদের কাছে বছরের প্রথম সুপারমুনটি ‘নেকড়ে চাঁদ’ নামে পরিচিত। তাদের বিশ্বাস, ওই পূর্ণিমায় পৃথিবী চাঁদের আলোয় এতটাই ভেসে যায় যে নেকড়েরা ডেরা থেকে বেরিয়ে ডাকতে শুরু করে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন

সর্বশেষ সংবাদ